৮০০০ পরিবারের আচরায় স্থান কেড়ে নিল তিস্তা।

৮০০০ পরিবারের আচরায় স্থান কেড়ে নিল তিস্তা।
ফের তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারী বর্ষ,ণসহ উ,জানের ঢলে নদীতে পানি বাড়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় চরাঞ্চলসহ তীরবর্তী এলাকার সৃষ্ট

বন্যায় আট হাজার পরিবার পা,নি,ব,ন্দি হয়ে পড়েছে। এছাড়া পানির তীব্র স্রোতে দুই ইউনিয়নের দুই শতাধিক প,রিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়ে যায়।

তলিয়ে গেছে চাষাবাদকৃত আমন ক্ষেত। বৃহস্পতিবার রাত থেকে পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার (৫২.৬০ সেন্টিমিটার) ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।

সরেজমিনে বন্যা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তিস্তার চরাঞ্চলের সবখানে থৈ থৈ করছে পানি। চরম দুর্ভোগে পড়েছে পানিবন্দি পরিবারগুলো। প্রবল স্রোতে বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি পানির কারণে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ না থাকায় পানিতেই ফেলে রাখা হয়েছে। আবার কেউ কেউ হাজারো বিপত্তির মাঝেও নৌকায় করে তাদের ঘরবাড়ি-আসবাবপত্র সরিয়ে অন্য এলাকায় চলে যাচ্ছেন।

পানিবন্দি ও ভাঙনকবলিত প,রি,বা,গু,লো জানান, বৃহস্পতিবার রাতের খাবার না খেতেই তিস্তার পানি হু হু করে বাড়িঘরে ঢুকে পড়ে। আতঙ্কে আসবাবপত্র ও গরু-ছাগল সড়াতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। রাতেই নদীর ধারে ভাঙন শুরু হলে ঘরবাড়ি সরাতে রাত কেটে যায় তাদের। তারপরও কিছু আসবাবপত্রসহ অনেক ঘরবাড়ি প্রবল স্রোতে ভেসে যায়।

পূর্ব বিনবিনা ও ইচলী এলাকার হাসান আলী, ফজলুল হক, মজু মিয়া, নুর মোহাম্মদ, আশরাফুল আলম, নওশা ঘাটিয়াল, আমিনুর রহমান, দুলু মিয়া, বন্দে আলী, নাল্টু মিয়া, মহুবর রহমান, মাসুম মুন্সী, আহম্মেদ মুন্সী, তৈয়ব আলী, আনোয়ারুল ইসলাম, আজিজুল ইসলাম, আতিয়ার রহমান, হযরত আলী, অহিদুল

ইসলাম, ভুটলু মিয়া, বাদশা মুন্সী, আলম ভাটিয়া, চান মিয়া, নজু মিয়া, আকাশ মিয়া, মনোয়ারুল ইসলাম, আবুল হোসেন, আজাদ আলী, লাল মিয়া, জাহাঙ্গীর হোসেন, জাহেদুল ইসলাম, হলাই সহিদার, আপি উদ্দিনসহ দুই শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

বিভিন্ন এলাকায় ভা,ঙ,ন,, অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তারা।কোলকোন্দ ইউনিয়নে চিলাখাল, মটুকপুর ও বিনবিনা চরের বাঁধের ধারে বববাসকারী তিন হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে এবং,, পূর্ব বিনাবিনা এলাকায় বেড়িবাঁধটি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্নসহ দেড় শতাধিক পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব আলী রাজু। লক্ষীটারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী জানান, তার ইউনিয়নের বাগেরহা,ট আশ্রয়ণ, পূর্ব ও পশ্চিম ইচলী, জয়রামওঝা, কলাগাছি, মধ্য ইচলীসহ নিম্ন এলাকার দুই, হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। পশ্চিম ইচলী এলাকায় ৫০, পরিবারের ঘরবাড়ি বিলীন; হয়েছে। এছাড়া নোহালী ইউনিয়নের মিনার বাজার, নোহালী চর, বৈরাতি, বাঘডোহরাসহ নিম্ন এলাকার এক হাজার পরিবার, গজঘণ্টা, মর্নেয়া, আলমবিদিতর ও গঙ্গাচড়া সদর ইউনিয়নে নিম্ন এলাকার দুই হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। চাল-চুলা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত; পরিবারগুলো চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। রং,পুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, তিস্তার পানি এখন কমতে শুরু করেছে। এছাড়া ভাঙন রোধে বিভিন্ন এলাকায় বাঁশের পাইলিং ও জিও ব্যাগ ফেলানো হচ্ছে। প্রবল বর্ষণ আর উজান থেকে নেমে আসা ঢলে সৃষ্ট বন্যার পনি দ্রুত নেমে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

About jacob done

Check Also

এহসান” গুরুপ নিয়ে খ্যাত, কুয়াকাটা হুজুরের মন্তব্য!

এহসান” গুরুপ নিয়ে খ্যাত, কুয়াকাটা হুজুরের মন্তব্য! ”হেলিকপ্টার হুজুর” খ্যাত কুয়াকাটার মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান’ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *