৪০-বছর ধরে স্বর্গীয় যে দুই সন্তানকে বুকে আগলে রেখেছেন মা

৪০-বছর ধরে স্বর্গীয় যে দুই সন্তানকে বুকে আগলে রেখেছেন মা ।
আমরা সবাই এ দুই ভাই দের জন্য দোয়া করবো । আল্লাহ জেনো সব সময় ভালো রাখে আমিন ।

সন্তান যেমনই হোক মা কখনো সন্তানকে ফেলে দিতে পারে না, মায়ের ভালোবাসা অতুলনীয়। মায়ের পায়ের নিচে জান্নাত রাখা হয়েছে এমনি এমনি না। ভালো থাক পৃথিবীর সকল বাবা মা❤️এই মায়ের জন্য লক্ষ কোটি সালাম মায়ের ভালবাসা অপরিসীম মা কে আল্লাহ হায়াতে তাইয়েবা দান করুক

স্বর্গীয় সন্তানদের স্বর্গীয় মা ❤️
আল্লাহ এই মায়ের কামনা পুরণ করুক স্বর্গীয় সন্তান দুইটির মৃত্যু তার আগে করার মাধ্যমে। যাতে করে স্বর্গীয় সন্তান দুইটি কষ্ট না পায় আর নিঃসঙ্গভাবে কারো অবহেলার শিকার না হয়।

আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীর সকল মাকে ভালো ও সুস্থ রাখুক।
মা যে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সম্পদ,,, তা এই ভিডিও টিতে ফুটে ওঠেছে,,, আজকে থেকে আমার মা ও সকল মায়ের প্রতি শ্রদ্ধাটা আরও বেড়ে গেলো।

আসুন,, আমরা সবাই এই পরিবারটিকে নিজের সাধ্যমতন আর্থিকভাবে সহযোগিতা করি।
এবং আজকে থেকে সবাই আমরা প্রতিজ্ঞা করি,, মায়ের ও বাবার সেবা করে জান্নাতের চাবি দুনিয়াতে বসে নিয়ে নেই।
★ পরিশেষে,, এত সুন্দর একটা ভিডিও আপলোড দেয়ার জন্য 🥀 R-Tv 🥀 কে পটুয়াখালী জেলা বাসীর পক্ষ থেকে অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা

চোখ দুটো ভিজে গেলো অজান্তেই। মায়ের ভালোবাসার কোনো তুলনা নেই। একজন মায়ের কতটা ধৈর্য হলে এভাবে ৪০ বৎসর যাবত দুজন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানকে আগলে রাখতে পারেন। বুকটা কষ্টে হু হু করছে এখনো😭😭😭 আরো কষ্ট লাগলো তার চাওয়া শুনে। তিনি নিজের আগে সন্তানদের মৃত্যু কামনা করেন। কারণ তার অবর্তমানে এই সন্তানদের কষ্ট হবে। কেননা মায়ের মতন তাদের কেউ দেখভাল করবেন না

ধন্যবাদ Rtv কে সুন্দর একটি প্রতিবেদন প্রচার করার জন্য ।
মা তো মায়েই তার কোন তুলনা হয়না । মানবিক কারনে বিত্তবানরা সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসবেন আশা করি, সেই সাথে Rtvকে বলবে “স্বর্গীয়” শব্দটি অসহায় ঐ মা উচ্চারণ করেন নাই অথচ সাংবাদিক প্রতিবেদনে লিখেছেন । ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে স্বর্গীয় নয় মুসলমানেরা জান্নাত শব্দ ব্যবহার করে ।

About jacob done

Check Also

এহসান” গুরুপ নিয়ে খ্যাত, কুয়াকাটা হুজুরের মন্তব্য!

এহসান” গুরুপ নিয়ে খ্যাত, কুয়াকাটা হুজুরের মন্তব্য! ”হেলিকপ্টার হুজুর” খ্যাত কুয়াকাটার মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান’ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *