সন্তানের-দুধের জন্য মা-এর আকুতি!

সন্তানের-দুধের জন্য মা-এর আকুতি!
খাবারের অভাবে বুকে দুধ নেই। নেই দুধ কেনার কোনো টাকা। স,ন্তানের বাবা দূর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন। এ অবস্থায় দুই শি,শুকে নিয়ে দি,শেহারা সাবিনা বেগম।

চক্ষু লজ্জায় হাত পাতেন না কারো কাছে। কখনো মনে করেন খাবারের জন্য একটি স,ন্তানকে দত্তক দিবেন। আবার মায়ার টানে তাও করতে পারছেন না।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের গুয়াবাড়ী ঘাট খামারি পাড়া গ্রামের সাবিনা বেগমের তিন বছর আগে বিয়ে হয়েছিল বগু,ড়ার শি,বগঞ্জ উপজেলার দেবীপুর গ্রামের ট্রাক চালকের সহকারী নজরুল ইসলামের সাথে। বিয়ের আড়াই বছর পর সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পরেন স্বামী নজরুল ইসলাম।

দ্বিতীয় সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় চলে আসেন বাবার বাড়ীতে। এখন তার ঘরে দেড় বছরের সুমাইয়া আক্তার এবং এক মাস বয়সের মরিয়ম নামে দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে। সাবিনার বাবা আফতাব শেখ জানান, আমার চার সন্তানের মধ্যে সাবিনা তৃতীয় স,ন্তান, তিন বছর আগে অনেক কষ্ট করে মা,নুষের কাছে ধার দেনা করে বিয়ে দিয়েছিলাম।

বিয়ের আড়াই বছর পর জামাই ভারসমহীন হয়ে পরলে সাবিনা চলে আসে আমার বাড়িতে। আমি ২৭ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছি। করোনার মধ্যে কাজকর্ম নেই। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে আমাদের। মেয়ের কোলের শিশুর দুধের টাকা জোগাড় করতে পারচ্ছেন না তিনি। তিনি চান সরকারি সাহায্য।

সাবিনা বেগম বলেন, বিয়ের পর ভালোভাবে কা,টছিলো দিন। হঠাৎ স্বা,মী মানসিক ভা,রসমহীন হয়ে পরলে দু,শ্চিন্তায় পড়ি।

শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় চলে আসি বাবার বাড়ীতে। এক মাস আগে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে সন্তান প্রসব করি। কা,ন্না জড়িত কন্ঠে সাবিনা বলেন, বর্তমানে বাচ্চাটাকে নিয়ে অনেক কষ্টে আছি। সবার কাছে আমার অনুরোধ বাচ্চাটাকে বাঁচান।

জয়,পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ,এন,ও) আরাফাত হোসেন জানান, সদর উপজেলার আমদই ই,উ,নি,য়,নে,র গু,

য়াবাড়ী ঘাট খামারি পাড়া গ্রামের সাবিনা বেগমের বিষয়টি আন্তরিকতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরকারি আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে সহযোগিতা করা হবে।

About jacob done

Check Also

এহসান” গুরুপ নিয়ে খ্যাত, কুয়াকাটা হুজুরের মন্তব্য!

এহসান” গুরুপ নিয়ে খ্যাত, কুয়াকাটা হুজুরের মন্তব্য! ”হেলিকপ্টার হুজুর” খ্যাত কুয়াকাটার মাওলানা মো. হাফিজুর রহমান’ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *