মেয়েদের চুল কাটলে কী হয়? পবিত্র কোরআনে কী বলা হয়েছে,,

মেয়েদের চুল কাটলে কী হয়? পবিত্র কোরআনে কী বলা হয়েছে,,
সমাজে প্রচলিত সাধারণ বিশ্বা’স হলো- নারীদের চুল কা’টা নিষে’ধ। তবে প্রয়োজনের সময় চুল কা,টা যায়। কিন্তু মেয়েরা কতদিন পর পর

চুল কাটতে পারবে এবং তার পরিমাণ কতটুকু,, এ সম্পর্কে মূলনীতি বলে দেওয়া হয়েছে ইসলামে।
নারীদের চুলের ক্ষে,ত্রে ইসলামি শরিয়তের মৌলিক, নীতিমালা হলো-

১, নারীরা চুল লম্বা রাখবে। হাদিস শরিফ থেকে জানা যায় যে,, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের স্ত্রী,গণ চুল লম্বা রাখতেন।

২, নারীরা চুল এ পরিমাণ খাটো করবে না যে, পু,রুষের চুলের মতো হয়ে যায়। হাদিস শরিফে পু’রুষের সাদৃশ্য অবলম্বনকারি নারীর প্রতি অ,ভিসম্পাত করা হয়েছে,,

৩, চুল কা’টার ক্ষেত্রে বিজাতীয়দের অনুকরণ করবে না। কার,ণ হাদিসে বিজাতীয়দের অনুকরণ করতে নি,ষেধ করা হয়েছে। অতএব যে মহিলার চুল এত লম্বা যে, কিছু অং,শ কাটলে পু,রুষের চুলের মতো সাদৃশ্য হবে না তার জন্য ওই পরিমাণ কা’টা জায়েজ;

পক্ষান্তরে যার চুল তত লম্বা নয়; বরং অল্প কাটলেই কাঁধ সমান হয়ে যাব’ে এবং পু’রুষের বাবরি চুলের মতো দেখা যাব’ে তার জন্য অল্প করেও কা’টার অনুমতি নি,ই।,,,

তবে জটিল অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার প্রয়োজনে,, অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর’্শে চুল ছোট করা, এমনকি প্রয়োজনে চুল একেবারে কামিয়ে ফেলার অনুমতিও রয়েছে,,।

অতএব নারীদের চুল চার আঙ্গু’ল পরিমাণ কাটা যাব,, অথবা একেবারেই কা’টা যাব’ে না- এ কথা প্রযোজ্য নয়। বরং চুল বেশি বড় থাকলে যেমন চার আঙ্গুলের বেশি করে কাটা জায়েজ। তদ্রুপ না একেবারে বেশি কে,টে ফেলা নাজায়েজ।

নারীদের চুল কা’টার ক্ষেত্রে সর্বাবস্থায় ফ্যা’শনের অনুকরণ করা থেকে বিরত থাকা দরকার।

উপরোক্ত মূলনীতির আলোকে নারীরা তাদের চুল খাটো করতে পারবেন। এর জন্য সময়ে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। আর কেউ নাজায়েজ পরিমাণ কিংবা বিজাতীয়দের অনুকরণে চুল কে’টে করে ফেললে তওবা-ইস্তিগফার করতে

About jacob done

Check Also

সর্ব-প্রথম আমাদের নবী-কে দেখার ও স্পর্শ’ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে, মানুষটির!

সর্ব-প্রথম আমাদের নবী-কে দেখার ও স্পর্শ’ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে, মানুষটির! আমাদের প্রিয় নবী হজরত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *