Breaking News

মাল্টায় আলতাব হোসেনের ভাগ্য বদলের স্বপ্ন

মাল্টা ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ একটি ফল। রসালো ফলের মধ্যে এটি অন্যতম। এফল চাষ করে ভাগ্য বদলের স্বপ্ন দেখছেন নরসিংদীর আলতাব হোসেন। রায়পুরা উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের দুকুন্দির চর গ্রামের হাজী ফজলু মিয়ার ছেলে আলতাব হোসেন। একবছর দুই মাস আগে লাগানো তার গাছগুলোতে এখন থোকায় থোকায় ঝুঁলছে মাল্টা।

বাজারে চাহিদা ও বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লাভজনক হওয়ায় এ ফল চাষে তিনি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। আগে তিনি মাল্টার পাশাপাশি নিজের জমিতে বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করে আসছেন। এবছর মরিচ ও বেগুন ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। তবে মাল্টা চাষে খুঁটিসহ বিভিন্ন উপকরণে তার সবমিলিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা।

মাল্টা চাষি আলতাফ হোসেন ২০২০ সালে মার্চ মাসের দিকে প্রথমে তার এক বন্ধুর পরামর্শে পরীক্ষামূলকভাবে নিজ উদ্যোগে এ মাল্টা চাষে মনোনিবেশ করেন। পরে একই এলাকার মরজাল নার্সারি থেকে বারি মাল্টা (১) জাতের মাল্টার চারা প্রতিটি ১০০ টাকা করে ১১০টি চারা এনে তার ১১ শতাংশ জমিতে রোপণ করেন। পাশাপাশি এ জমিতে সাথী ফসল হিসেবে মরিচ ও বেগুনের চাষও করেন।

মাল্টা চাষি আলতাব হোসেন বলেন, মাল্টা আমাদের দেশে চাষ উপযোগী নয়, তারপরেও দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেকেই এফলের চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। আর সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমার মাল্টা চাষের দিকে আগ্রহ হওয়া। দেশে উৎপাদিত মাল্টা বিদেশ থেকে আমদানি করা যে কোনো মাল্টার চেয়ে রসালো, সুস্বাদু ও মিষ্টি।

তার রোপণ করা ১১০টি গাছের মধ্যে মাত্র ৬টি গাছ বাদে সবকয়টি মাল্টা গাছেই ফলন আসছে। একটি মাল্টা গাছে ১০০ থেকে ১২০টি ফল ধরেছে। যা ওজনে ১৫ থেকে ২০ কেজির মতো হতে পারে। তাই তিনি ৮০ টাকায় কেজি দরে বিক্রি করতে পারলেও এবছর ১ লাখ ৮০ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী।

এদিকে আলতাব হোসেনের এই মাল্টা বাগান দেখে আশেপাশের অনেক কৃষক এখন এ জাতের মাল্টা চাষে আগ্রহ প্রকাশ করছেন। অনেকে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে উদ্যোগী হচ্ছেন এফল চাষে। আলতাব হোসেন আরও বলেন, এ বাগাটি আমি ব্যক্তি উদ্যোগে করেছি। তবে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ ও সহযোগিতায় আমি আরও ১১ শতাংশ জায়গায় আরেকটি বাগন করবো। কৃষি অফিস আমাকে বিনামূল্যে মাল্টা চারাসহ উপকরণ দেবে বলে জানিয়েছে।

About admin

Check Also

বেশি রিকশায় আয় কমেছে চালকদের

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী এলাকার গফুর আলী (৫০) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে একটি মেসে থাকেন। পেশায় রিকশাচালক। তাঁর পাঁচ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *