আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো বান্দা এক কদ-মও চলতে পারে না!

আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো বান্দা এক কদ-মও চলতে পারে না!

দোয়া মানে প্রার্থনা। দুনিয়ায় সকল মানুষই আল্লাহ নিকট মু,খা-পেক্ষী। বান্দার সুস্থ্য জীবন-যাপন আল্লাহর একান্ত অনু-গ্রহ। আল্লাহর রহমত

ছাড়া কোনো বান্দা এক কদমও চলতে পারে না। সেই মহা মনিবের দরবারে প্রত্যেক বান্দারই রয়েছে একান্ত চাওয়া-পাওয়া। এ চাওয়া-পাওয়া কবুলের জন্য রয়েছে একান্ত কিছু সময়। তা. এখানে তুলে ধরা হলো –

জুমার দিনের দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয় – হাদিসে এসেছে হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বলেন – রাসূল (সা.) আমাদের একদিন শুক্রবারে

ফজিলত নিয়ে আলোচনা করছিলেন,। আলোচনায় সেদিন তিনি বলেছিলেন, ‘জুমার দিনে এমন একটি সময় আছে, যে সময়টায় যদি কোনো মুসলিম নামাজ আদায়রত অব,স্থায় পায় এবং আল্লাহর কাছে কিছু চায়, আল্লাহ মহান অবশ্যই তার সে চাহিদা বা দোয়া কবুল করবেন এবং এরপর রাসূল (সা.) তার হাত দিয়ে ইশারা করে সময়টা সংক্ষিপ্ততার ইঙ্গিত দে,ন।’ (বুখারি)

রাসুল (সা.) থেকে জা,বের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) বর্ণনা করেন, জু,মার দিনে ১২, ঘণ্টা রয়েছে। তাতে এমন একটা সময়ে রয়েছে, যাতে আল্লাহর বান্দা আল্লাহর ক‍াছে যা চায় আল্লাহ তাই দেন। অতএব তোমরা আছরের শেষ সময়ে তা তালাস করো। (আবু দাউদ, হাদিস নং : ১০৪৮, নাসাঈ, হাদিস নং : ১৩৮৯)

জমজমের পানি পান করার সময়ের দোয়া করা হলে তা কবুল হয়। রাসূল (সা.) বলেন, ‘জমজম পানি যে নিয়তে পান করা হবে, তা কবুল হবে।’ অর্থাৎ এই পানি পান করার সময় যে দোয়া করা হবে, ইনশাআল্লাহ তা অবশ্যই কবুল হবে। (ইবনে মাজাহ)

আজান ও ইকামতের মধ্য,বর্তী সময়ের দোয়া কবুল হয়। হ,জ,র,ত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত” রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ের দোয়া করা হলে তা ফিরিয়ে দেয়া হয় না।’ (তিরমিজি)

রাতের শেষ তৃতীয়াংশের যদি দোয়া, করা হয় তাহলে তা কবুল হয়। রাতের শেষ তৃতীয়াংশের দোয়া অবশ্যই কবুল করা হয়। হাদিসে এসেছে,

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূল (সা.) ব,লে,ছে,ন, ‘প্রত্যেক রাতের শেষ তৃ,তী,য়াংশে আল্লাহ মহান সবচেয়ে কাছের আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, কে আমা,কে ডাকছো? আমি তো,মার ডাকে সাড়া দেব। কে আমার কাছে চাইছো? আ,মি তাকে তা দেব। কে আছো আমার কাছে ক্ষ,মা প্রার্থনা,কারী’ আমি তোমাকে ক্ষমা করে দেব। (মুসলিম)

সেজদারত অবস্থায় দোয়া করা হলে তা কবুল হয়। রাসূল (সা.) বলেন, ‘যে সময়টাতে বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটতম অবস্থায় থাকে তা হলো সেজদারত অবস্থা। সুতরাং তোমরা সে সময় আল্লাহর কাছে বেশি বেশি চাও বা প্রার্থনা করো।’ (মুসলিম)””

About jacob done

Check Also

সর্ব-প্রথম আমাদের নবী-কে দেখার ও স্পর্শ’ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে, মানুষটির!

সর্ব-প্রথম আমাদের নবী-কে দেখার ও স্পর্শ’ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে, মানুষটির! আমাদের প্রিয় নবী হজরত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *