Breaking News

আপনি গুনাহ’মুক্ত জীবন চান” প্র’তি’দিন রাতে ঘু’মানোর আগে সূরা মূলক পাঠ করুন; এর ফযিলত সর্ম্পকে জানুন।

আপনি গুনাহ’মুক্ত জীবন চান” প্র’তি’দিন রাতে ঘু’মানোর আগে সূরা মূলক পাঠ করুন; এর ফযিলত সর্ম্পকে জানুন।
সুরা আল-মুলক। পবিত্র, নগরী মক্কায় অবর্তীণ কুরআনুল কারিমের ৬৭-তম সুরা। আয়াত সংখ্যা ৩০। রুকু ২। কুরআন তেলাওয়াতের

আমলকারীদের জন্য’ সুরাটি অনেক ফজিলত’পূর্ণ। যা’ তার তেলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করে দেয়ার আগ পর্যন্ত সুপারিশ করত থাকে।মানুষকে গোনাহমুক্ত জীবন দানের জন্য কুরআ,ন সুন্নায় অনেক’ আমলের বর্ণনা দিয়েছেন বিশ্বনবি। লক্ষ্য একটাই যাতে মানুষ গোনাহমুক্ত জীবন লাভ করতে পারে। এটিও তার একটি। হাদিসের একাধিক বর্ণনায়’ এসেছে,,,

হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু” আনহু এক ব্যক্তিকে বললেন, আমি কি তোমাকে এমন একটি হাদিস শুনাব, যাহা শুনে তুমি খুশি হবে? উত্তরে সে বলল, হ্যাঁ শুনান। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তুমি নিজে সুরা মুলক পড় এবং পরিবারের সবাইকে ও প্রতিবেশীকে উহা শিক্ষা দাও।কারণ উহা মুক্তিদানকারী ও ঝগড়াকারী।

কেয়ামতের দিন আল্লাহর সঙ্গে ঝগড়া করে উহার পা’ঠকারীকে সে জাহান্নামের আজাব থেকে রক্ষা’ করবে এবং কবরের আজাব থেকে বাঁ’চি’য়ে রাখবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমার একান্ত কামনা যে, এই সুরাটি আমার প্রত্যেক উম্মতের অন্তরে গেঁথে (মুখস্ত) থাকুক।’ (ইবনে কাসির;

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন” রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কুরআন মাজিদে ৩০-(ত্রিশ) আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরা রয়েছে, যা তার তেলাওয়াতকারীকে ক্ষমা করে দেয়ার আগ পর্যন্ত তার জন্য সুপারিশ করতেই থাকবে। আর সুরাটি হলো (تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ) অর্থাৎ সুরা মুলক।’ (মুসনাদে আহমদ, তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ) ”রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘আমার মন চায় প্রত্যেক মুমিনের, হৃদয়ে; যেন সুরা মুলক মুখস্ত থাকে।’ (বাইহাকি)- হজরত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ‘তোমরা সুরা মুলক শিখে নাও এবং নিজেদের

স্ত্রী-সন্তানদের শেখাও। এটা কবরের আজাব হতে র’ক্ষা করবে এবং কেয়ামতের দিন আল্লাহর দরবারে এই সুরা পাঠকারীর পক্ষে কথা বলে, তাকে মুক্ত করবে।’- রাসুলুল্লাহ” সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া’ সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মুলক তেলাওয়াতের আমল করবে সে কবরের আজাব থেকে, মু’ক্তি পাবে।’ (তিরমিজি, মুসতাদরাকে হাকেম,,,

সুরা মুলক তেলাওয়াতের সময় সুরা মুলক রাতের বেলা পড়া উত্তম, তবে অন্য” যেকোনো সময়ও পড়া যাবে। সুরাটি” অর্থ বুঝে নিয়মিত পড়ায় রয়েছে অনন্য তা’ৎপর্য। এই সুরা নামাজের সঙ্গে পড়াও উত্তম। মুখস্ত না থাকলে” দেখে দেখে অর্থ বুঝে পড়লে বিশেষ সাওয়াব পাওয়া যায়। হাদিসে এসেছে”’

– রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুরা মু’ল’ক তেলাওয়াত না করে রাতে ঘুমাতে যেতেন না।’ (তিরমিজি)- হজরত জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আলিফ লাম” মীম তানযিল ও তাবারাকাল্লাজি না পড়ে কখনো ঘুমাতে যেতেন না।’- সুরা মূলক ৪১ বার (একচল্লিশ) তেলাওয়াত করলে” সব বিপদ-আপদ হতে রক্ষা পাওয়া যায় এবং ঋণ পরিশোধ হয়। এ সুরা পাঠে কবরের আজাব থেকেও বাঁচা ”যায়,,।

উল্লেখ্য যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম” সুরা মুলক না পড়ে ঘুমাতে যেতেন না” মর্মে বর্ণনার উপর ভিত্তি করেই আলেম-ওলামা ও বুজুর্গানে দ্বীনগণ ইশার নামাজের পর সুরা মুলকের তেলাওয়াতের আমল করার কথা বলেন”। সুতরাং রাতে ঘুমানোর আগে কিংবা ইশার নামাজের পরে বুঝে বুঝে সুরা মুলক পড়া যেতে পারে”।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহ”কে সুরা মুলকের আমল নিয়মিত করার তাওফিক দান করুন। হাদিসে ঘোষিত ফজিলত লাভের তাওফিক” দান করুন”। আমিন;

About jacob done

Check Also

সর্ব-প্রথম আমাদের নবী-কে দেখার ও স্পর্শ’ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে, মানুষটির!

সর্ব-প্রথম আমাদের নবী-কে দেখার ও স্পর্শ’ করার সৌভাগ্য হয়েছিল যে, মানুষটির! আমাদের প্রিয় নবী হজরত …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *